কচুয়া উপজেলার বরখাস্ত চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির কারাগারে

কচুয়া উপজেলার বরখাস্ত চেয়ারম্যান  শাহজাহান শিশির কারাগারে

কচুয়া উপজেলার বরখাস্ত চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির কারাগারে

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বরখাস্ত চেয়ারমান শাহজাহান শিশিরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের চাঁদপুরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নুরে আলমকে ঘুষি, চর, থাপ্পর মারা এবং বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগে ঘটনার মামলায় শাহজাহান শিশির স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পন করতে আসলে জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশে দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় চাঁদপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামাল হোসেন এই নির্দেশ দেন।

গত ১৯ জুলাই ‘কচুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ নির্মাণ কাজের পরিদর্শনে গেলে ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে উপজেলা চেয়ারম্যান ও তার সহযোগিদের মারধরের শিকার হন প্রকৌশলী নুরে আলম। এই ঘটনায় ওইদিন রাতেই নুরে আলম বাদী হয়ে কচুয়া থানায় চেয়ারম্যানসহ আরো দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

এই ঘটনায় গত ২৩ জুলাই স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং তার স্থলে প্যানেল চেয়ারম্যান সুলতানা খানমকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়।

প্রকৌশলীকে মারধরের ঘটনা তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয় স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে। নির্দেশ অনুযায়ী চট্টগ্রাম বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার ঘটনাটি তদন্ত করেন। বর্তমানে তদন্ত প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে দাখিলের অপেক্ষা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কচুয়া উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি ও পৌরসভার প্যানেল মেয়র কামাল হোসেন অন্তর বলেন, শাহজাহান শিশিরের বিরুদ্ধে স্বরযন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। মিথ্যা মামলায় দলের দুঃসময়ের সারথি শেখ হাসিনার পরিক্ষিত সৈনিকের কারাবন্দী এটা সত্যিই লজ্জাজনক। দলের মধ্যে ঘুপটি মেরে বসে থাকা হাইব্রিডদের স্বরযন্ত্রের স্বীকার তিনি।

এদিকে শাহাজাহান শিশিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ও স্বরযন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং সাময়িক বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে উপজেলার পৌরসভাসহ ১২টি ইউনিয়নে মানববন্ধন ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ।

পাঠকের মন্তব্য