চাঁদপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনে মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল

চাঁদপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনে মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল

চাঁদপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনে মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল

চাঁদপুর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন মেয়র অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েল। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে তিনি পৌর বাসস্ট্যান্ডের স্বর্ণখোলা, বিপণীবাগ ও চিত্রলেখাসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।
এ সময় ময়লাখোলা এলাকায় জমি লীজ নিয়ে শর্ত ভঙ্গ করে অবৈধভাবে স্থাপনা গড়ে উঠা, বিপণীবাগে মার্কেটের পার্কিংয়ে দোতলা দোকানের বিষয়ে জানতে চান। এছাড়া যানজট নিরসনে ও পথচারীদের চলাচলের সুবিধার্থে চিত্রলেখা এলাকায় রাস্তা সম্প্রসারণের কথা বলেন।
এ সময় মেয়রের সাথে ছিলেন পৌরসভার সচিব আবুল কালাম ভূইয়া, নির্বাহী প্রকৌশলী এএইচএম শামসুদ্দোহা, সার্ভেয়ার মনিরুজ্জামানসহ পৌরসভার কর্মকর্তা ও কাউন্সিলরবৃন্দ।
জানা যায়, স্বর্ণখোলা এলাকায় গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করছে পৌরসভা। সহসাই পৌর কর্তৃপক্ষ লীজ বাতিল করে ওইসব অবৈধ ওইসব স্থাপনা ভেঙে ফেলার দির্দেশনাও দিতে পারেন।
পরে মেয়র শহরের বিপণীবাগ এলাকা যান। সেখানে প্রধান সড়কে বালু রেখে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির বিষয়টি দেখার পর দ্রুত তা অপসারণের ব্যবস্থা নেন।
জানা গেছে, বিপণীবাগ মর্কেট এলাকায় পৌরসভার জমিতে লীজ নিয়ে সেখানে লীজের নীতিমালা ভঙ্গ করে বিপণীবাগ মার্কেটের গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গায় গড়ে তোলা হয়েছে দোতলা দোকান।
স্থানীয়রা জানান, বিপণীবাগ মার্কেটের ওই স্থানটি গাড়ি পার্কিংয়ের স্থান হলেও পৌরসভা থেকে নামমাত্র লীজ নিয়ে নকশা ছাড়াই লীজের নিয়ম-নীতিমালা ভঙ্গ করে দোতলা দোকান গড়ে তোলা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে দোতলা বিল্ডিংয়ের নিচে সিমেন্টের দোকান, উপরে একটি রুম করা হয়েছে।
পরে মেয়র শহরের চিত্রলেখা মোড় এলাকায় আসেন। চিত্রলেখা এলাকায় পৌরসভার রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য স্থানীয় দোকান মলিকদের সাথে আলোচনা স্বাপেক্ষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
এ বিষয়ে পৌরসভার সচিব আবুল কালাম ভূইয়া বলেন, মেয়র বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন। বিভিন্ন বিষয়ে তিনি জানতে চেয়েছেন।
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এইচ এম শামসুদ্দোহা বলেন, স্বর্ণখোলা এলাকায় কিছু অবৈধ স্থাপনা আছে। কিছু লিজ আছে- এগুলোর বিষয়ে মেয়র কিছু দিকনির্দেশনা দেবেন। ভবিষ্যতে হয়তো দেখা যাবে রাস্তা চওড়া করা হবে। ময়লা ডাম্পিং ইয়ার্ডে কাউকে ঘর করতে দেয়া ঠিক না। এসব বিষয় নিয়ে দিকনির্দেশনা আসতে পারে। এছাড়া পৌরসভার দোতলা দোকানের কোন লীজ আছে কি না সেটি শুনেছেন। আর চিত্রলেখা এলাকায় রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য দোকান মালিকদের সাথে বসে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। কেউ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

পাঠকের মন্তব্য