জীবনের প্রথম চাকরিতেই জীবন হারালেন মুমিনুল

জীবনের প্রথম চাকরিতেই জীবন হারালেন মুমিনুল

জীবনের প্রথম চাকরিতেই জীবন হারালেন মুমিনুল

আনুমানিক ২৭ বছর বয়সী মুমিনুল হক সদ্য স্নাতক সম্পন্ন করে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। মাত্র কয়েকদিন আগে কর্মস্থলে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে শনিবার রাতে আগুন ও পরে ভয়াবহ বিস্ফোরণে প্রাণ গেলো তার।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে কাঁদতে কাঁদতে এ কথাগুলো বলছিলেন মুমিনুল হকের ভাই ফরহাদুল ইসলাম।

সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ থেকে অনার্স পাস করে কয়েকদিন আগে বিএম কনটেইনার ডিপোতে চাকরি নেন। আজ সেখানে কর্মরত ছিলেন।

এদিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে দগ্ধ ও আহতের সংখ্যা তিন শতাধিক ছাড়িয়ে গেছে। এ পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এক পুলিশ সদস্যের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামে অবস্থানরত সব চিকিৎসকদের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন সিভিল সার্জন। স্বেচ্ছাসেবীদের এ মুহূর্তে এগিয়ে আসার অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি। আহত রোগীদের জন্য রক্তের প্রয়োজন বলেও জানান সিভিল সার্জন।

আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট। তবে এখনো আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

এবিষয়ে পাঁচলাইশ থানার উপপরিদর্শক নুরুল আলম আশিক জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা এসআই নাসির উদ্দিন জানান, কনটেইনার ডিপোটিতে রফতানি পণ্য মজুত রাখা হতো। আগুনের খবর পেয়ে মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। একজন পুলিশ সদস্যের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

দুর্ঘটনার বিষয়ে কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের ফায়ারম্যান নাজমুল হাসান বলেন, কুমিরা ফায়ার সার্ভিস প্রথম ওই কনটেইনার ডিপোতে আগুনের খবর পায়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা খবর পান। আগুন নেভানোর জন্য একটি টিম ঘটনাস্থলে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটে।

পাঠকের মন্তব্য