কার্তিকে শ্রাবণের বৃষ্টি;বিপর্যস্ত মানুষের পাশে নুর হোসেন পাটওয়ারী

কার্তিকে শ্রাবণের বৃষ্টি;বিপর্যস্ত মানুষের পাশে নুর হোসেন পাটওয়ারী

কার্তিকে শ্রাবণের বৃষ্টি;বিপর্যস্ত মানুষের পাশে নুর হোসেন পাটওয়ারী

নয়ন পাটওয়ারীঃ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারনে উপকূলীয় এলাকায় গত তিনদিন ধরে ঝড়ো বৃষ্টি হচ্ছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ।  টানা বর্ষনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাছের ঘের,মৌসুমী কৃষক ও আমন চাষীরা। 

তিনদিনের  টানা বর্ষনে হাইমচর উপজেলার অধিকাংশ জায়গা পানিতে তলিয়ে গেছে। দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। 

উপজেলার ছোট লক্ষ্মীপুর,নয়ানী, কাটাখালী,তেলীর মোড়,ঈশানবালাসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে নিমজ্জিত। 

জমির ধান মাটিতে হেলে পড়েছে, মাছের ঘের তলিয়ে গেছে, পানের বোরজের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

দক্ষিণ আলগী গ্রামের শহীদ মিয়া বলেন,কিছু জমিতে শীতকালীন  ফসল চাষ করেছিলাম,কিন্তু গত তিনদিনের বৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেছে।এখন পুনরায় ক্ষেত করার মত অর্থ, সামর্থ্য কিছুই নেই।

চরভৈরবী ইউনিয়নের মাছ চাষী রাসেল বেপারী বলেন, বেশ কয়েকমাস হলো পুকুরে মাছ ছেড়েছিলাম। বিক্রির উপযোগী হয়েছিলো। টানা বৃষ্টিতে আমার সব শেষ হয়ে গেলো। এ পুকুরের আয়,ব্যয়েই আমার সংসার চলে। 

উত্তর আলগী গ্রামের পানচাষী তাজুল ইসলাম বলেন,ঋণ করে পান চাষ শুরু করেছিলাম। অতিবৃষ্টিতে পানের বরোজে হাঁটু সমান পানি হয়েছে। পানের লতা টিকে থাকার কোন সম্ভাবনাই নেই। অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি৷ কিছুদিন আগের জোয়ারের পানিতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।কিন্তু গত তিনদিনের বৃষ্টিতে আর কিছুই বাকি রইলো না। এ ঋণের বোঁঝা মাথায় নিয়ে কিভাবে টিকে থাকবো? 

এদিকে খবর শুনে উপজেলা চেয়ারম্যান নুর হোসেন পাটওয়ারী তাৎক্ষনিক উপজেলার বিভিন্নস্থান পরিদর্শন করেন এবং হাঁটু পানিতে নেমে মানুষের দুঃখ দুর্দশা অনুধাবন করেন।এসময় তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ডা.দীপু মনি এম.পির পক্ষ হতে সব ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন

পাঠকের মন্তব্য